AssignmentExam Preparation

Class 9 Business Entrepreneurship 7th Week Assignment Answer

নবম শ্রেণীর ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট ২০২১

Business Entrepreneurship Assignment Answer 7th Week For Class 9, ব্যবসায় উদ্যোগ সপ্তম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান। Business Entrepreneurship assignment solution has published. 1st and 7th weeks assignment published. we also provide you all assignments and solutions. Business Entrepreneurship assignment question and solution. So let’s see.

Class 9 Business Entrepreneurship 7th Week Assignment Question

Class 9 Business Entrepreneurship 7th Week Assignment Question

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রমঃ এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ-২, অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনামঃ প্রথম অধ্যায়: ব্যবসায় পরিচিতি;

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তুঃ ব্যবসায়ের ধারণা, ব্যবসায়ের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ, ব্যবসায়ের আওতা ও প্রকারভেদ, ব্যবসায়ের গুরুত্ব, শিল্প বাণিজ্য প্রত্যক্ষ সেবা, ব্যবসায় পরিবেশ, বাংলাদেশে ব্যবসায়িক পরিবেশ;

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ ‘ব্যবসায় বিস্তারের ভিত্তি হলাে ব্যবসায়িক পরিবেশ বিষয়টি নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।

সংকেত: সূচনা, ব্যবসায় পরিবেশের ধারণা, ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক পরিবেশ, অর্থনৈতিক পরিবেশ, উপসংহার;

Class 9 Business Entrepreneurship 7th Week Assignment Answer

দিনে দিনে মানুষের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের আওতা ও পরিধি বৃদ্ধি হচ্ছে। সেই সাথে ব্যবসা বাণিজ্যের পরিধি বাড়ছে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ধারণা ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ ব্যবসা এর বিস্তার বাড়ানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। পরিবেশগত উন্নয়নসহ ব্যবসা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে মানুষ অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। আজকে আমরা ব্যবসায়ীক বিস্তারের ভিত্তি হলো ব্যবসায়িক পরিবেশ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন লেখার চেষ্টা করব।

প্রতিবেদনঃ ব্যবসায় বিস্তারের ভিত্তি হলো ব্যবসায়িক পরিবেশ

সূচনাঃ অভাব পূরণের জন্য ব্যবসা এর উৎপত্তি হয়েছিল। মানুষ তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডকে বিস্তার করার জন্য নানাবিধ প্রযুক্তি এবং পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে।  তার ব্যবসার পরিধি এবং বিস্তার বৃদ্ধি করার জন্য মানুষ নানা কার্যক্রম গ্রহণ করে।

ব্যবসায়িক পরিবেশ তাদের মধ্যে অন্যতম একটি। ব্যবসায় পরিবেশ সুন্দর হলে ব্যবসার বিস্তার খুব দ্রুত এবং সুন্দরভাবে  হতে পারে। 

ব্যাবসায়িক পরিবেশের ধারনাঃ যেসব প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক উপাদান দ্বারা  ব্যবসায়ী সংগঠনের গঠন,  কার্যাবলী,  উন্নতি ও অবনতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রভাবিত করে সেগুলোর সমষ্টিকে ব্যবসায়িক পরিবেশ বলে। পরিবেশ দ্বারা মানুষের জীবন,  আচার-আচরণ,  শিক্ষা-সংস্কৃতি অর্থনীতি এবং ব্যবসা প্রভাবিত হয়।

ব্যবসায়িক পরিবেশ কে প্রধানত ৬ ভাগে ভাগ করা হয়েছে: ১.  প্রাকৃতিক পরিবেশ, ২.  অর্থনৈতিক পরিবেশ,  ৩.  রাজনৈতিক পরিবেশ,  ৪.  সামাজিক পরিবেশ, ৫.  আইনগত পরিবেশ, ও ৬.  প্রযুক্তিগত পরিবেশ;

ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশঃ 

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যবসার বিস্তৃতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  বাংলাদেশ একটি কৃষি নির্ভর দেশ। এক সময় বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সারাবিশ্বে বিখ্যাত ছিল। ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রসিদ্ধ স্থান হিসেবে বিশেষ করে মসলিন কাপড়ের জন্য সোনারগাঁও এবং সমুদ্র বন্দর ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পের জন্য চট্টগ্রামে দুটো স্থানের নাম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রাকৃতিক পরিবেশের অধিকাংশ উপাদানই বাংলাদেশের ব্যবসা স্থাপনের জন্য অনুকূল। দেশের প্রায় সকলেই নদীবিধৌত। এজন্যই এখানে বিভিন্ন শিল্প ও ভোগ্য পণ্যের কাঁচামাল উৎপাদন করা সম্ভব। 

 

বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস ফিল্ড থাকায় এখানে ব্যবসা ও শিল্প স্থাপত্য সহজ। বাংলাদেশে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ কয়লা চুনাপাথর কঠিন শিলা ও খনিজ তেল শিল্প ব্যবসায়িক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আমাদের দেশে প্রচুর সম্পদ থাকায় ব্যবসায়িক পরিবেশ আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। অসংখ্য নদনদী বাংলাদেশের মাটি ব্যবসার জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি অঞ্চল। 

ব্যবসার বিস্তারে সামাজিক পরিবেশঃ

ব্যবসায় সমৃদ্ধি এবং ব্যবসার সফলতা বয়ে আনার জন্য সামাজিক পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। সমাজের বিভিন্ন ব্যবসার পরিধি ও বিস্তারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। জাতি,  ধর্মীয় বিশ্বাস, ভোক্তাদের মনোভাব,  মানব সম্পদ,  শিক্ষা-সংস্কৃতি,  ঐতিহ্য,  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,  বেশিরভাগ বাংলাদেশের ব্যবসা প্রসারের ক্ষেত্রে অনুকূল।

এদেশের মানুষ জাতিগত,  ঐতিহ্যগত এবং সাংস্কৃতিকভাবে উদার, পরিশ্রমই এবং সৃজনশীল। অতীতে জাহাজ নির্মাণ করে এবং মসলিন কাপড় উৎপাদন করে এদেশের মানুষ তাদের প্রতি এবং পরিশ্রমের স্বাক্ষর রেখেছিল। 

সোনারগাঁও একসময় ব্যবসা, শিক্ষা, কৃষি,  সাহিত্য, সংস্কৃতি,  শিল্প, কারুশিল্পের ছিল বিশ্বসেরা। বর্তমানে জামদানি শাড়ি এবং বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। 

 

তবে বাংলাদেশে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা নির্ভরতা থেকে বের করে এবং শ্রম নির্ভর করতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ব্যবসায় বিস্তারিয়া অনেক বেশি সুবিধা পাবে। 

ব্যবসায় বিস্তারে অর্থনৈতিক পরিবেশঃ 

দেশে বিরাজমান কার্যকর অর্থ ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা,  কৃষি ও শিল্পের অবদান,  জনগণের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ মানসিকতাও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবসায় পরিবেশ অর্থনীতি উপাদান হিসেবে কাজ করে।  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উপাদানগুলোর কয়েকটি  বেশ মজবুত হলেও অনেকগুলোর ভিত্তি তেমন সুবিধার নয়।  এখানে চাহিদার তুলনায় প্রয়োজনীয় মূলধনের অভাব, গ্রামীণ জনগণের ব্যাংকিং সেবা ও ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শহরের তুলনায় কম সুবিধা,  প্রশাসনিক জটিলতা,  দালাল শ্রেণীর লোকদের হয়রানী,  দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি প্রতিকূল অবস্থা কাটাতে পারলে বাংলাদেশ ব্যবসায় বিকাশে আরো দ্রুত অগ্রসর হতে পারবে। 

উপসংহারঃ ব্যবসায়িক পরিবেশ ব্যবসায় বিস্তারিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি  একটি বিষয় যা আমরা উপরের আলোচনা থেকে জানতে পারলাম।  ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলে খুব দ্রুত একটি দেশের বা অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো সম্ভব হয়।

Class 9 Business Entrepreneurship 4th Week Assignment Answer

Business Entrepreneurship Assignment Answer 4th Week For Class 9

Business Entrepreneurship Assignment For Class 9

7th week assignment Answer

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রম: এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ-১;

অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনাম: প্রথম অধ্যায়: ব্যবসায় পরিচিতি;

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তু:

১. ব্যবসায়ের ধারণা, ব্যবসায়ের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ; ২. ব্যবসায়ের আওতা ও প্রকারভেদ; ৩. ব্যবসায়ের গুরুত্ব; ৪. শিল্প; ৫. বাণিজ্য; ৬. প্রত্যক্ষ সেবা ব্যবসায় পরিবেশ, ৭. বাংলাদেশে ব্যবসায়িক পরিবেশ;

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ: (৯ম ব্যবসায় উদ্যোগ)

ক) সাভারের হেমায়েতপুর-এ চামড়ার জুতা তৈরির কারখানা।

খ) পােলট্রি ফার্মে মুরগির ডিম ও বাচ্চা উৎপাদন করা।

গ) পদ্মা সেতু তৈরি করা।

ঘ) বাখরাবাদ গ্যাসফিল্ড থেকে গ্যাস উত্তোলন ।

ঙ) কক্সবাজারে মেরিনড্রাইভ সড়ক তৈরি।

চ) সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ করা।

ছ) জয়পুরহাট সুগারমিলে আখ থেকে চিনি তৈরি।

জ) বৈদেশিক বাণিজ্যে সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করা।

ঝ) গাছের চারা উৎপাদন।

ঞ) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া।

উপরে বর্ণিত কাজগুলাে কোন শিল্পের (প্রজনন, নিষ্কাশন, নির্মাণ, উৎপাদন, সেবা) আওতাভুক্ত তার তালিকা তৈরি করে আওতাভুক্ত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

অধ্যায় ও বিষয়বস্তুর শিরােনাম

ষষ্ঠ অধ্যায়: ব্যবসায় পরিকল্পনা

সপ্তম অধ্যায়: বাংলাদেশের শিল্প

এ্যাসাইনমেন্ট / নির্ধারিত কাজ

সৃজনশীল প্রশ্ন: রুহি তার বাবার সাথে শেরপুর বেড়াতে গেলাে। যাওয়ার পথে স্থানীয় একটি বাজারে নাস্তা খেতে নামলাে। সে দেখলাে রাস্তার পাশে বাশ ও বেতের তৈরি সুন্দর সুন্দর ঝুড়ি, কুলা, চেয়ার, দোলনা, ফুলদানি বিক্রি করছে। রুহি বাবাকে বলে দুটো ফুলদানি কিনলাে। রুহির বাবা বললাে এভাবেই স্থানীয়ভাবে তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি করে হাজার হাজার লােকের কর্মসংস্থান হচ্ছে এবং পর্যটকদের নিকট এগুলাের চাহিদাও ব্যাপক। বর্তমানে সরকার এ খাতের নারী উদ্যোক্তাদের দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করছে।

ক. ব্যবসায় পরিকল্পনা কী?

উত্তরঃ ব্যবসায় পরিকল্পনা হলাে ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের প্রতিচ্ছবি। এটি একটি লিখিত দলিল যার মধ্যে ব্যবসায়ের লক্ষ্য, প্রকৃতি, ব্যবস্থাপনার ধারা, অর্থায়নের উপায়, বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত উন্নয়নের সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরা হয়। কোন ব্যবসায় কোন দিকে অগ্রসর হবে ও কীভাবে ব্যবসায়ের সাফল্য অর্জন করা যাবে তার সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা ব্যবসায় পরিকল্পনায় পাওয়া যায়।

খ. সেবামূলক ক্ষুদ্র শিল্প বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ এককথায় সাধারণত একটি নতুন ব্যবসা কীভাবে তার লক্ষ্য অর্জন করবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করে। একে ব্যবসায়িক পরিকল্পনাও বলা হয়।

সেবামূলক  ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বুঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৫ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১০-২৫ জন শ্রমিক কাজ করে।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পণ্যগুলাে কোন শিল্পের অর্ন্তগত বর্ণনা কর।

উত্তরঃ উদ্দীপকে  বর্ণিত পণ্যগুলো বাঁশ ও বেত শিল্পের অন্তর্ভুক্ত বেতের ঝুড়ি, বাল্ব শেড, চায়ের ট্রে, বেতের চেয়ার, দোলনা, পুতুল, ঝুড়ি, ফুলদানি, চাটাই, ডালা, কুলা, চালুন।.(বিস্তারিত বর্ণনা পরে আপডেট করা হবে। আপনারা বিস্তারিত নিজেরাই চেষ্টা করলে লিখতে পারবেন। বাঁশ ও বেত শিল্পের অধ্যায়টি ফলো করুন)

ঘ. উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্য মতে এ খাতের বিকাশ সম্ভব বলে মনে করাে কী? মতামত দাও।

উত্তরঃ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের মতাে উন্নয়নশীল দেশের অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাঁশ ও বেত শিল্প ও মাঝারি শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। [প্রশ্ন সমাধান করেছেন NewResultBD.Com] দারিদ্র বিমােচন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এর অবদান উল্লেখযােগ্য। দেশের একটা বড় অংশ এই শিল্পের আওতাভুক্ত। কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র হচ্ছে এ সকল শিল্প। দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ এ শিল্পের সাথে জড়িত। স্বল্প মূলধন, স্থানীয় কাঁচামাল, ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, সৃজনশীলতা, পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে মহিলাদের কর্মশক্তি ব্যবহার করে এ জাতীয় শিল্পগুলাে গড়ে উঠে। ফলে লাখাে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে দেশের গ্রামীণ মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণেবাঁশ ও বেত শিল্পের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য লালন ও বিকাশে এবং সারা বিশ্বে তা ছড়িয়ে দিতেও বাঁশ ও বেত শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

Download Business Entrepreneur 7th Week Assignment Answer Image or PDF

Business Entrepreneurship 4th Week Assignment Answerমূল্যায়ন নির্দেশক

ক.

  • বিষয়বস্তুর জ্ঞান

থ.

  • নির্ভুল তথ্য
  • যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা

গ.

  • পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর সাথে উদ্দীপকের সংযােগ সাধন।

ঘ.

  • পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর সাথে উদ্দীপকের সংশ্লিষ্টতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহনের সক্ষমতা

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *