Class 7 Bangla 1st Week Assignment Answer

Class 7 Bangla 1st Week Assignment Answer

Class 7 Bangla 1st Week Assignment Answer (সপ্তম শ্রেণীর বাংলা প্রথম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট এর সমাধান) is available here. Do you need answers to class seven Bengla first week questions? We have answered all the questions of Class 7 Bangla Assignment for 1st week. This Bangla solution of the first week will be very useful for the students of class seven. So read the full post to get Bangla solution for 1st week of 7th class.

Topics of the 1st Week Assignment Of Class Seven Bangla Subject

The question has a part written in Sadhuriti. The part is taken from the story of Kabuliwala written by the poet Rabindranath Tagore. That part has to be presented with logic by identifying the appropriate reasons for its sanctity.

প্রশ্নে সাধুরীতিতে রচিত একটি অংশ দেওয়া আছে। অংশটুকু কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাবুলিওয়ালা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। সেই অংশটুকু যে সাধুরীতিতে রচিত তার উপযুক্ত কারণগুলো চিন্হিত করে যুক্তির সাথে উপস্থাপন করতে হবে।

Class 7 Bangla 1st Week Assignment

The question of Bangla Assignment of 1st week of 7th class mentions assignment or prescribed work order, chapter and chapter title, lesson number and content included in the syllabus, assignment or scheduled work, instructions for writing answers, important guidelines for evaluation.

Although we use Bangali language in all our daily activities, we do not know the correct rules and regulations of Bengali language well. So in the case of class 7 Bangla 1st week assignment, the assignment has to be completed very nicely by giving importance to all those subjects in a very good way.

Class 7 Bangla 1st Week Assignment

ষষ্ঠ শ্রেণীর বাংলা ১ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন

ষষ্ঠ শ্রেণীর (ক্লাস ৬) ১ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন প্রকাশিত হয়েছে। ক্লাস সিক্স এর বাংলা এসাইনমেন্ট প্রথম সপ্তাহেই রয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণীর ১ম সপ্তাহের বাংলা এসাইনন্টের প্রশ্নে উল্লেখ রয়েছে এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রম, অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনাম, পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তু, এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ, উত্তর লেখার জন্য নির্দেশনা, মূল্যায়ন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা।

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রম

  • এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ-১

অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরােনাম

  • গদ্য

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও বিষয়বস্তু

  • কাবুলিওয়ালা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ

যৌক্তিকতা নিরুপণ:

নিচে উল্লিখিত অংশটি সাধুরীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধর। ‘সংবাদ পাইলাম, কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির এই যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ তাহা নহে, ইতােমধ্যে সে প্রায় প্রত্যহ আসিয়া পেস্তা বাদাম ঘুষ দিয়া মিনির ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অনেকটা অধিকার করিয়া লইয়াছে।

নির্দেশনা

  • শিক্ষার্থীরা বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি বইয়ের সহায়তা নিয়ে সাধুরীতির ৪-৫টি বৈশিষ্ট্য লিখবে।
  • উল্লিখিত পাঠ থেকে সর্বনাম, ক্রিয়াপদ, অব্যয় ও তৎসম শব্দের দৃষ্টান্ত চিহ্নিত করবে।
  • যৌক্তিকতা সহ উপসংহার লিখবে।

মূল্যায়ন রুব্রিক্স

অতি উত্তম

১.বিষয়বস্তুর সঠিকত

২. যথাযথ দৃষ্টান্ত

৩. বানান শুদ্ধতা

৪. মৌলিকতা/নিজস্বতা

উত্তম ১ টির ক্ষেত্রে ঘাটতি
ভালাে ২-৩টির ঘাটতি
অগ্রগতি প্রয়ােজন সকলক্ষেত্রেই ঘাটতি

Class 7 Bangla 1st Week Assignment Answer

There are some special aspects to be considered in solving the first week Bangla assignment of seventh grade. There are some guidelines for writing answers in the case of answer assessment. That is, students will write 4-5 features of Sadhuriti with the help of Bangla Grammar and Construction books. Moreover, it will identify examples of pronouns, verbs, prepositions and similar words from the mentioned text. Finally write the conclusion with logic.

Class 7 assignment answer for 1st week will be here after completing solution.

কাবুলিওয়ালা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাবুলিওয়ালা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাবুলিওয়ালা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাবুলিওয়ালা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাবুলিওয়ালা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাবুলিওয়ালা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Kabuliwala

আমার পাঁচ বছর বয়সের ছােট মেয়ে মিনি এক দণ্ড কথা না কহিয়া থাকিতে পারে না। সকালবেলায় আমার নভেলের সপ্তদশ পরিচ্ছেদে হাত দিয়াছি এমন সময় মিনি আসিয়াই আরম্ভ করিয়া | দিল, “বাবা, রামদয়াল দরােয়ান কাককে কৌয়া বলছিল, সে কিছু জানে না। না ?” সে আমার লিখিবার টেবিলের পার্শ্বে আমার পায়ের কাছে বসিয়া নিজের দুই হাঁটু এবং হাত লইয়া অতি উচ্চারণে আগডুম-বাগডুম খেলিতে আরম্ভ করিয়া দিল। আমার ঘর পথের ধারে। হঠাৎ মিনি আগডুম-বাগডুম খেলা রাখিয়া জানালার ধারে ছুটিয়া গেল এবং চিঙ্কার করিয়া ডাকিতে লাগিল, “কাবুলিওয়ালা, ও কাবুলিওয়ালা।”
ময়লা ঢিলা কাপড় পরা, পাগড়ি মাথায়, ঝুলি ঘাড়ে, হাতে গােটা দুই-চার আঙুরের বাক্স, এক লম্বা কাবুলিওয়ালা পথ দিয়া যাইতেছিল— তাহাকে দেখিয়া আমার কন্যারত্নের কিরূপ ভাবােদয় হইল বলা শক্ত, তাহাকে ঊর্ধ্বশ্বাসে ডাকাডাকি আরম্ভ করিয়া দিল। | মিনির চিল্কারে যেমনি কাবুলিওয়ালা হাসিয়া মুখ ফিরাইল এবং আমাদের বাড়ির দিকে আসিতে লাগিল,
অমনি সে ঊর্ধ্বশ্বাসে অন্তঃপুরে দৌড় দিল, তাহার আর চিহ্ন দেখিতে পাওয়া গেল না। তাহার মনের মধ্যে একটা অন্ধ বিশ্বাসের মতাে ছিল যে, ঐ ঝুলিটার ভিতর সন্ধান করিলে তাহার মতাে দুটো-চারটে জীবিত মানবসন্তান পাওয়া যাইতে পারে। আমি মিনির অমূলক ভয় ভাঙাইয়া দিবার অভিপ্রায়ে তাহাকে অন্তঃপুর হইতে ডাকাইয়া আনিলাম—সে। আমার গা ঘেঁষিয়া দাঁড়াইয়া রহিল। কাবুলি ঝুলির মধ্য হইতে কিসমিস খােবানি বাহির করিয়া তাহাকে দিতে গেল, সে কিছুতেই লইল না, দ্বিগুণ সন্দেহের সহিত আমার হাঁটুর কাছে সংলগ্ন হইয়া রহিল। প্রথম পরিচয়টা | এমনি ভাবে গেল। | কিছুদিন পরে একদিন সকালবেলায় বাড়ি হইতে বাহির হইবার সময় দেখি, আমার দুহিতাটি দ্বারের সমীপন্থ বেঞ্চির উপর বসিয়া অনর্গল কথা কহিয়া যাইতেছে এবং কাবুলিওয়ালা তাহার পদতলে বসিয়া সহাস্যমুখে শুনিতেছে এবং মধ্যে মধ্যে প্রসঙ্গক্রমে নিজের মতামতও ব্যক্ত করিতেছে। মিনির পঞ্চবর্ষীয় জীবনের অভিজ্ঞতায় বাবা ছাড়া এমন ধৈর্যবান শ্রোতা সে কখনাে পায় নাই। আবার দেখি, তাহার ক্ষুদ্র আঁচল বাদাম| কিসমিসে পরিপূর্ণ। সংবাদ পাইলাম, কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির এই যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ তাহা নহে, ইতিমধ্যে সে প্রায় প্রত্যহ আসিয়া পেস্তাবাদাম ঘুষ দিয়া মিনির ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অনেকটা অধিকার করিয়া লইয়াছে। | দেখিলাম, এই দুটি বন্ধুর মধ্যে গুটিকতক বাঁধা কথা এবং ঠাট্টা প্রচলিত আছে – যথা, রহমতকে দেখিবামাত্র আমার কন্যা হাসিতে হাসিতে জিজ্ঞাসা করিত, “কাবুলিওয়ালা, ও কাবুলিওয়ালা, তােমার ও ঝুলির ভিতর কী।” রহমত একটা অনাবশ্যক চন্দ্রবিন্দু যােগ করিয়া হাসিতে হাসিতে উত্তর করিত, “হাতি।” উহাদের মধ্যে আরও একটা কথা প্রচলিত ছিল। রহমত মিনিকে বলিত, “খোখী, তােমি সসুরবাড়ি কখুনু যাবে
!” কথাটার একটা কোনাে জবাব না দিয়া চুপ করিয়া থাকা নিতান্ত তাহার স্বভাববিরুদ্ধ—সে উটিয়া জিজ্ঞাসা করিত, “তুমি শ্বশুরবাড়ি যাবে ?” রহমত কাল্পনিক শ্বশুরের প্রতি প্রকাণ্ড মােটা মুষ্টি আস্ফালন করিয়া বলিত, “হামি সসুরকে মারবে।” শুনিয়া মিনি শ্বশুর-নামক কোনাে-এক অপরিচিত জীবের দুরবস্থা কল্পনা করিয়া অত্যন্ত হাসিত। মিনির মা অত্যন্ত শঙ্কিত স্বভাবের লােক। রহমত কাবুলিওয়ালা সম্বন্ধে তিনি সম্পূর্ণ নিঃসংশয় ছিলেন না। তাহার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখিবার জন্য তিনি আমাকে বারবার অনুরােধ করিয়াছিলেন।
একদিন সকালে আমার ছোট ঘরে বসিয়া প্রুফশিট সংশােধন করিতেছি। এমন সময় রাস্তায় ভারি একটা একদিন সকালে আমার ছােট ঘরে বসিয়া গােল শুনা গেল ।
চাহিয়া দেখি, আমাদের রহমতকে দুই পাহারাওয়ালা বাঁধিয়া লইয়া আসিতেছে তাহার পশ্চাতে কৌতুহলী ছেলের দল চলিয়াছে। আমি দ্বারের বাহিরে গিয়া পাহারাওয়ালাকে দাঁড় করাইলাম, জিজ্ঞাসা করিলাম, ব্যাপারটা কী। কিয়দংশ তাহার কাছে, কিয়দংশ রহমতের কাছে শুনিয়া জানিলাম যে, আমাদের প্রতিবেশী একজন লােক রামপুরী চাদরের জন্য রহমতের কাছে কিঞ্চিৎ ধারিত –মিথ্যাপূর্বক সেই দেনা সে অস্বীকার করে এবং | তাহাই লইয়া বচসা করিতে করিতে রহমত তাহাকে এক ছুরি বসাইয়া দিয়াছে। রহমত সেই মিথ্যাবাদীর উদ্দেশে নানারূপ অশ্রাব্য গালি দিতেছে, এমন সময় কাবুলিওয়ালা, ও কাবুলিওয়ালা করিয়া ডাকিতে ডাকিতে মিনি ঘর হইতে বাহির হইয়া আসিল। রহমতের মুখ মুহুর্তের মধ্যে কৌতুকহাস্যে প্রফুল্ল হইয়া উঠিল। মিনি একেবারেই তাহাকে জিজ্ঞাসা করিল, | “তুমি শ্বশুরবাড়ির যাবে?” রহমত হাসিয়া কহিল, “সিখানেই যাচ্ছে।” সাংঘাতিক আঘাত করা অপরাধে কয়েক বৎসর রহমতের কারাদণ্ড হইল। তাহার কথা একপ্রকার ভুলিয়া গেলাম। কত বৎসর কাটিয়া গেল। আমার ঘরে আজ রাত্রি শেষ হইতে না হইতে সানাই বাজিতেছে। আজ আমার মিনির বিবাহ। আমি আমার লিখিবার ঘরে বসিয়া হিসাব দেখিতেছি, এমন সময় রহমত আসিয়া সেলাম করিয়া দাঁড়াইল। আমি প্রথমে তাহাকে চিনিতে পারিলাম না। তাহার সে ঝুলি নাই, তাহার সে লম্বা চুল নাই, তাহার শরীরে পূর্বের মতাে সে তেজ নাই। অবশেষে তাহার হাসি দেখিয়া তাহাকে চিনিলাম। কহিলাম, “কী রে রহমত, কবে আসিলি।” | সে কহিল, “কাল সন্ধ্যাবেলা জেল হইতে খালাস পাইয়াছি।” আমার ইচ্ছা করিতে লাগিল, আজিকার এই শুভদিনে এ লােকটা এখান হইতে গেলেই ভালাে হয়। আমি তাহাকে কহিলাম, “আজ আমাদের বাড়িতে একটা কাজ আছে, আমি কিছু ব্যস্ত আছি, তুমি আজ যাও।” কথাটা শুনিয়াই সে তৎক্ষণাৎ চলিয়া যাইতে উদ্যত হইল, অবশেষে দরজার কাছে গিয়া একটু ইতস্তত করিয়া কহিল, “খোখীকে একবার দেখিতে পাইব না ?” আমি কহিলাম, “আজ বাড়িতে কাজ আছে, আজ আর কাহারও সহিত দেখা হইতে পারিবে না।” | সে যেন কিছু ক্ষুন্ন হইল। স্তব্ধভাবে দাঁড়াইয়া একবার স্থিরদৃষ্টিতে আমার মুখের দিকে চাহিল, তার পরে বাবু। | সেলাম’ বলিয়া দ্বারের বাহির হইয়া গেল।
আমার মনে কেমন একটু ব্যথা বােধ হইল। মনে করিতেছি তাহাকে ফিরিয়া ডাকিব, এমন সময়ে দেখি | সে আপনি ফিরিয়া আসিতেছে।

কাছে আসিয়া কহিল, “এই আঙুর এবং কিঞ্চিৎ কিসমিস বাদাম খেখীর জন্য আনিয়াছিলাম, তাহাকে দিবেন।”
আমি সেগুলি লইয়া দাম দিতে উদ্যত হইলে সে হঠাৎ আমার হাত চাপিয়া ধরিল, কহিল, “আপনার বহুৎ দয়া, আমার চিরকাল স্মরণ থাকিবে —আমাকে পয়সা দিবেন না। বাবু, তােমার যেমন একটি লড়কি আছে, তেমনি

Bদশ
দেশে আমারও একটি লড়কি আছে। আমি তাহারই মুখখানি স্মরণ করিয়া তােমার খোখীর জন্য কিছু কিছু মেওয়া হাতে লইয়া আসি, আমি তাে সওদা করিতে আসি না।” | এই বলিয়া সে আপনার মস্ত ঢিলা জামাটার ভিতর হাত চালাইয়া দিয়া বুকের কাছে কোথা হইতে এক
টুকরা ময়লা কাগজ বাহির করিল। বহু সযত্নে ভাঁজ খুলিয়া দুই হস্তে আমার টেবিলের উপর মেলিয়া ধরিল।। | দেখিলাম, কাগজের উপর একটি ছােট হাতের ছাপ। ফটোগ্রাফ নহে, তেলের ছবি নহে, হাতে খানিকটা ভুষা মাখাইয়া কাগজের উপরে তাহার চিহ্ন ধরিয়া লইয়াছে। কন্যার এই স্মরণচিহ্নটুকু বুকের কাছে লইয়া রহমত প্রতিবৎসর কলিকাতার রাস্তায় মেওয়া বেচিতে আসে। | দেখিয়া আমার চোখ ছলছল করিয়া আসিল। সেই হস্তচিহ্ন আমারই মিনিকে স্মরণ করাইয়া দিল।
আমি তৎক্ষণাৎ তাহাকে অন্তঃপুর হইতে ডাকাইয়া পাঠাইলাম। অন্তঃপুরে ইহাতে অনেক আপত্তি উঠিয়াছিল। কিন্তু আমি কিছুতে কর্ণপাত করিলাম না। রাঙাচেলি-পরা কপালে-চন্দন-আঁকা বধূবেশিনী মিনি সলজ্জভাবে
আমার কাছে আসিয়া দাঁড়াইল। | তাহাকে দেখিয়া কাবুলিওয়ালা প্রথমটা থতমত খাইয়া গেল, তাহাদের পুরাতন আলাপ জমাইতে পারিল না।
অবশেষে হাসিয়া কহিল, “খোখী, তােমি সসুরবাড়ি যাবিস ?”
কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির যেদিন প্রথম সাক্ষাৎ হইয়াছিল, আমার সেই দিনের কথা মনে পড়িল। মনটা কেমন ব্যথিত হইয়া উঠিল। মিনি চলিয়া গেলে একটা গভীর দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া রহমত মাটিতে বসিয়া পড়িল। সে হঠাৎ স্পষ্ট বুঝিতে পারিল, তাহার মেয়েটিও ইতিমধ্যে এইরূপ বড় হইয়াছে। আমি একখানি নোেট লইয়া তাহাকে দিলাম। বলিলাম, “রহমত, তুমি দেশে তােমার মেয়ের কাছে ফিরিয়া যাও; তােমাদের মিলনসুখে আমার মিনির কল্যাণ হউক।”
(সংক্ষেপিত)