সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা অধিকতর গণতান্ত্রিক – যোক্তিকতা নিরূপণ

6.09K viewsপৌরনীতি
0

সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা অধিকতর গণতান্ত্রিক – যোক্তিকতা নিরূপণ। এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ সমাধান।

সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা অধিকতর গণতান্ত্রিক - যোক্তিকতা নিরূপণ

বিষয়: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, বিষয় কোড: ২৬৯, অ্যাসাইনমেন্ট নম্বর: ০৫, স্তর: এইচএসসি, সপ্তম অধ্যায়: সরকার কাঠামাে।

অ্যাসাইনমেন্ট: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা অধিকতর গণতান্ত্রিক – যােক্তিকতা নিরূপণ।

বিষয়বস্তু

  • বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রে সরকারের কাঠামাে বর্ণনা করতে পারবে।

নির্দেশনা

  • ক. গণতন্ত্র, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
  • খ. সংসদীয় এবং রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের সম্পর্ক।

এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর

ক) গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যঃ 

গণতন্ত্রের সংজ্ঞা (Definition of Democracy) 

গণতন্ত্রের অর্থ হচ্ছে জনগণের শাসন। অতীত ও মধ্যযুগে গণতন্ত্র মূলত এ অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু আধুনিক যুগে গণতন্ত্র বলতে আমরা কেবল এক ধরনের সরকারকেই বুঝিনা, সাথে সাথে এক ধরনের সমাজ ব্যবস্থাকেও বুঝি। এ ধরনের সমাজব্যবস্থা যেখানে বিরাজমান নেই, সেখানে শাসনপ্রথা গণতন্ত্র নামে পরিচিত হলেও তা’সম্পূর্ণরূপে গণতান্ত্রিক নয়। তবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে গণতন্ত্র বলতে আমরা এক প্রকার শাসন ব্যবস্থাকে বুঝি।

প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে গ্রীক ঐতিহাসিক হিরোডোটাস (Herodotus) গণতন্ত্রের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে বলেছেন, “গণতন্ত্র এক প্রকার শাসনব্যবস্থা যেখানে শাসন ক্ষমতা কোন শ্রেণী বা শ্রেণীসমূহের উপর ন্যস্ত থাকে না, বরং সমাজের সদস্যগণের উপর ন্যস্ত হয় ব্যাপকভাবে।” এর প্রতিধ্বনি আমরা শুনতে পাই আধুনিককালের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ লর্ড ব্রাইসের সংজ্ঞায়। গণতন্ত্র সম্পর্কে লর্ড ব্রাইস বলেন, “যে শাসন প্রথায় জনসমষ্টির অন্তত তিন-চতুর্থাংশ নাগরিকের অধিকাংশের মতে শাসনকার্য পরিচালিত হয়, তাই গণতন্ত্র। [NewResultBD.Com] এক্ষেত্রে এটাও উল্লেখযোগ্য যে নাগরিকদের ভোটের শক্তি যেন তাদের শারীরিক বলের সমান হয় (“A government in which the will of the majority of the qualified citizens’ rules …. say, at least three-fourths so that the physical force of the citizens coincides with their voting power”). লর্ড ব্রাইস এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ঐ শাসনব্যবস্থাই গণতান্ত্রিক, যা’ (ক) জনসাধারণের ইচ্ছা, (খ) তাদের মংগলামংগল ও (গ) হিতকর্মের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং (ঘ) যেখানে সাম্য ও স্বাধীনতা প্রাধান্য পায়। বিয়াট্রীস ওয়েব (Beatrice Webb) ও সিডনি ওয়েব (Sidney Webb) আর এক ধাপ অগ্রসর হয়ে বলেছেন, “কোন নির্দিষ্ট এলাকায় সকল প্রাপ্তবয়স্ক অধিবাসীদের সংঘ যখন রাজনৈতিক আত্মশাসনের ক্ষমতা ও অধিকার ভোগ করে তখন তাকে রাজনৈতিক গণতন্ত্র বলা হয়।”

গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ (Characteristics)

গণতন্ত্রের কতকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোন শাসনব্যবস্থা গণতান্ত্রিক কিনা তা’এসব বৈশিষ্ট্যের মানদন্ডে বিচার করে সহজেই আমরা অনুধাবন করতে পারি।

প্রথমত, লক্ষ্য করতে হবে উক্ত শাসনব্যবস্থায় প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সরকার গঠিত হয় কিনা; দ্বিতীয়ত, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকারকে পরিবর্তন করা যায় কিনা; তৃতীয়ত, উক্ত ব্যবস্থায় দল গঠন, মত প্রকাশ ও সমালোচনার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে কিনা; চতুর্থত, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের স্বার্থরক্ষার সুবন্দোবস্ত রয়েছে কিনা; পঞ্চমত, উক্ত ব্যবস্থায় প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারসমূহ আইনগতভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে কিনা; এবং শেষত, জনসাধারণ এ আশ্বাস পেয়েছে কি-না যে, সুষ্ঠু বিচার ছাড়া তাদের অহেতুক বন্দীদশা ভোগ করতে হবে না, অথবা অন্য কোন শাস্তি ভোগ করতে হবে না।

উল্লেখিত ব্যবস্থাসমূহের উপস্থিতি যে-কোন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করতে সমর্থ।

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সলটু (Soltau) বলেন, গণতন্ত্রের মধ্যে চার সত্য অনুধাবনযোগ্য। প্রথমত, গণতন্ত্রে প্রত্যেকের স্বাধীন মতামত প্রকাশের জন্মগত অধিকার স্বীকার করা হয়; দ্বিতীয়ত, গণতন্ত্রের রাষ্ট্রকে কোন অভ্রান্ত সত্যের প্রতীক বলে গ্রহণ করা হয় না; তৃতীয়ত, রাজনৈতিক অধিকারে ক্ষেত্রে ও আইনের চোখে সবাই সমান; চতুর্থত, গণতন্ত্রে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সকলের মতামতের দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারে। এ চারটি উপাদানের সুসমন্বয়ে যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তা’গণতান্ত্রিক। সুতরাং গণতন্ত্রে মৌলিক কথা হচ্ছে- শাসন সংক্রান্ত ব্যাপারে শাসিতদের সম্মতি লাভ।

খ) সংসদীয় সরকার ও এর বৈশিষ্ট্যঃ

সংসদীয় সরকার

যে শাসন ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ তার কাজের জন্য আইনসভার নিকট দায়ী থাকে তাকে মন্ত্রি পরিষদ শাসিত সরকার বলে। সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিসদ শাসন ব্যবস্থায় একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন। সরকার পরিচালনার প্রকৃত ক্ষমতা থাকে আইনসভার আস্থাভাজন মন্ত্রিসভার হাতে। প্রধানমন্ত্রি হচ্ছেন মন্ত্রিসভার নেতা। [NewResultBD.Com] সরকার প্রধান, মন্ত্রিসভা যতক্ষণ পর্যন্ত আইনসভার আস্থাভাজন থাকবেন ততক্ষণ শাসন ক্ষমতা পরিচালনা করতে পারবেন। আইনসভার অনাস্থা প্রকাশ পেলে মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করবে। মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার সদস্য। মন্ত্রিগণ ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে সংসদের নিকট জবাবদিহি করেন। গ্রেট ব্রিটেন, ভারত, বাংলাদেশ, অষ্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার প্রচলিত রয়েছে।

সংসদীয় সরকার এর বৈশিষ্ট্যঃ

১। দায়িত্বশীলতা: মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নিকট দায়ী থাকে, ফলে সরকার দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে।

২। নমনীয়তা: সংসদীয় সরকার নমনীয় প্রকৃতির। কেননা প্রয়োজনবোধে যে কোন সময় সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন করতে পারে।

৩। প্রতিনিধিত মূলক শাসন ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার জন প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা। নিবার্চিত প্রতিনিধিদের দ্বারা এটি গঠিত হয়। জনমতের উপর ভিত্তি করে শাসন পরিচালনা করে।

৪। শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পক: সংসদীয় সরকারের শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। মন্ত্রিসভা অতি সহেজে আইন পরিষদে আইন পাস করে নিতে পারে। কেননা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য।

৫। সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা: শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা থাকায় এ সরকার ব্যবস্থা সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম।

৬। স্বেচ্ছাচার বিরোধী: সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার ক্ষমতায় টিকে থাকা না থাকা নির্ভর করে আইন সভার আস্থা ও অনাস্থার ওপর। মন্ত্রীগণ সংসদের আস্থা অর্জনের জন্য শাসন কার্য পরিচালনায় মনোযোগী হয়। ফলে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠার আশংঙ্কা দূর হয়।

৭। যোগ্য লোকের শাসন: অধ্যাপক লাস্কীর মতে, “রাজনৈতিক অভিজ্ঞ এবং আইন পরিষদে প্রভাব বিস্তারে সক্ষম এমন সদস্যদের মন্ত্রিসভার নিয়োগদানের ফলে সংসদীয় ব্যবস্থায় যোগ্য লোকের শাসন কায়েম হয়।”

গ) রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ও এর বৈশিষ্ট্যঃ

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলতে সেই ব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে রাষ্ট্রপতি প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী এবং তিনি তার মন্ত্রিমণ্ডলী দ্বারা শাসন কার্য পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রকৃত ক্ষমতা প্রয়োগ করেন এবং তিনি তার কার্যনীতির জন্য আইন বিভাগের কাজে দায়ী নন, জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। [NewResultBD.Com] এ ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ রাষ্ট্রপতির অধীনস্থ এবং আজ্ঞাবহ কর্মচারী মাত্র, রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনিচ্ছার উপরে মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রিত্ব নির্ভর করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ব্রাজিল প্রভৃতি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রচলিত আছে।

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের বৈশিষ্ট্যঃ

১। দক্ষ শাসন ব্যবস্থা: সমাজে এমন অনেক যোগ্য, সৎ ও দক্ষ ব্যক্তি আছেন যারা নির্বাচনী হাঙ্গামা এড়িয়ে চলেন, রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থায় এ সমস্ত ব্যক্তিদের মন্ত্রী পদে নিযুক্ত করা সম্ভব। ফলে শাসন কার্যের দক্ষতা ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পায়।

২। দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য আইনসভার সাথে আলোচনার সময় অপচয় করতে হয় না। 

৩। ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। প্রতিটি বিভাগ একে অপরের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে কার্যপরিচালনায় মনোনিবেশ করে এবং স্বীয় বিভাগের কাজের উন্নয়ন ঘটায়।

৪। স্থায়ীত্ব: এ সরকার তুলনামূলকভাবে স্থায়ী। যখন তখন সরকার পরিবর্তনের মত দুরবস্থার শিকারে পরিণত হয় না। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নির্বিঘ্নে সরকার পরিচালনা করে।

৫। আইনসভার প্রভাবমুক্ত শাসন বিভাগ: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের মন্ত্রীগণ সংসদ সদস্যদের চাপমুক্ত থাকে। ফলে তারা নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে সরকারের নিয়মনীতি প্রয়োগ করতে পারে।

৬। ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের সুফল ভোগ: রাষ্টপতি শাসিত সরকার ক্ষমতা্র স্বতন্ত্রীকরণ নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের ফলে শাসন বিভাগ স্বৈরাচারী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। ফলে জনমনে স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারে।

৭। উন্নয়নে সহায়ক: রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার অপেক্ষাকৃত স্থায়ী বিধায় এ ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে জাতীয় উন্নয়ন করা সম্ভব হয়।

ঘ) সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পার্থক্যঃ

১) একটি সংসদীয় সরকারে, দুই প্রধান নেতা, রাষ্ট্র প্রধান এবং সরকারের একটি প্রধান একই নয়, কিন্তু একটি রাষ্ট্রপতি সরকার একটি ব্যক্তি শক্তিশালী ক্ষমতা উভয় ধারণ করে।

২) একটি সংসদীয় সরকারে, সরকার প্রধান একটি প্রধানমন্ত্র হয়, যদিও রাষ্ট্রপতির সরকারে এটি একটি রাষ্ট্রপতি।

৩) প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্য, যিনি সংসদ সদস্যের দ্বারা নির্বাচিত হন এবং একজন সভাপতি সবসময় সংসদের সদস্য বলে বিবেচিত হয় না।

৪) একটি সংসদীয় সরকারে, রাষ্ট্র প্রধান সাধারণত রাজকীয় রক্তক্ষরণ থেকে কেউ; একটি রাজা, একটি রানী, একটি রাজকুমার বা একটি রাজকুমারী

৫) একটি সংসদীয় সরকারে, সংসদ রাষ্ট্রের আইনসভা থেকে নিকৃষ্ট এবং রাষ্ট্রপতি সরকারে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

৬) সরকার কর্তৃক গৃহীত কার্যক্রমের জন্য একটি প্রধানমন্ত্রী সংসদকে দায়ী করেন, অথচ রাষ্ট্রপতি জনতার জন্য দায়ী, যাঁরা তাকে ভোট দেন।

উপরে উল্লিখিত গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য পর্যালোচনা, এটি একটি সংসদীয় সরকার সিস্টেম রাষ্ট্রপতি সরকার থেকে পৃথক অনেক কাজ, গঠন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন, এবং কর্মক্ষমতা বৈশিষ্ট্য।

Get HSC Civics Assignment Answer

এসাইনমেন্ট সমাধান বা যেকোনো প্রয়োজনে-

Asif Changed status to publish September 9, 2021
Add a Comment
Write your answer.