উদ্দীপকের (মুন্না) ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

0

উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর। Class 8 Home Science 6th Week Assignment Answer. ক্লাস ৮ এর গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ষষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান। Oshtom Srenir (Class8) Garhosto Biggan 6 Soptaher Assignment Er Uttor ba Somadhan. Class Eight 2nd & Last Domestic Science Assignment Solve 2020.

This question gives some characteristics of a boy. The answer to the question needs to be calculated based on this feature. A boy Munna will be 10 years old. But even though he is young, he eats a little more and all the food he eats is not healthy. That’s why he can’t live like normal boys. He can’t climb the stairs well. He can’t go to play on the field with everyone. If you do a little work, you get tired. The boy’s problem here is that his body fat has increased due to eating extra fast food and he has become fat. Her body cannot function much due to weight gain. With a little effort he becomes more tired. She eats more but does not do physical work accordingly.

We know that health is the root of all happiness. First of all we have to keep our health right. To maintain our health, we need to eat moderately. Excess food cannot be taken. And exercise is very important to keep the body well.

উদ্দীপকের (মুন্না) ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

এই প্রশ্নে একটি ছেলের কিছু বৈশিষ্ট্য দেওয়া আছে। এই বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে প্রশ্নের উত্তর গণনা করতে হবে।

আমরা জানি স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সবার আগে আমাদের স্বাস্থ্যকে সঠিক রাখতে হবে। আমাদের স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখতে হলে আমাদের পরিমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করা যাবে না। এবং শরীর ভালো রাখার জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরী।

এ্যাসাইনমেন্ট / নির্ধারিত কাজ ২

সৃজনশীল প্রশ্ন: মুন্না চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। সে খেতে খুব পছন্দ করে। চকলেট, চিপস, ড্রিংকস তার খুব পছন্দ। ইদানীং সে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গেলে হাঁপিয়ে যায়৷ বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলতে যায়না। অল্প পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তার মা পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হলেন।

৪। ক) উদ্দীপকের ছেলেটির সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা কর।

মুন্নার বয়স হবে প্রায় ১০ বছর। কিন্তু বয়স কম হলেও সে একটু বেশি খাওয়া দাওয়া করে এবং সে যে সকল খাবার গ্রহণ করে তা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। সে কারণে সে সাধারন ছেলেদের মতো জীবনযাপন করতে পারেনা। সে সিঁড়ি দিয়ে ভালোভাবে উঠতে পারেনা। সে সবার সাথে মাঠে খেলতে যেতে পারে না। অল্প একটু কাজ করলেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এখানে ছেলেটির সমস্যা হলো অতিরিক্ত ফাস্টফুড খাওয়ার কারণে তার শরীরে চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেছে ফলে সে মোটা হয়ে গেছে। ওজন বৃদ্ধি হওয়ার কারণে তার শরীর বেশি কাজ করতে পারে না। অল্প পরিশ্রমে সে অধিক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সে অধিক খাদ্য গ্রহণ করে কিন্তু সে অনুযায়ী কায়িক পরিশ্রম করে না।

Class 8 Home Science 6th Week Assignment Answer

আপনি চাইলে পাঠ্যবই থেকে এই অধ্যায় সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে পারেন।

পাঠ ৪- ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সের শিশুর খাবার

১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদের বিদ্যালয়গামী শিশু বলা হয়। এই বয়সে শারীরিক বর্ধন দ্রুত হয়, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এই বয়সে দ্রুত লম্বা হয়। এই বয়সে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ক্ষেত্রে পুষ্টির চাহিদা বেশি হয়। বর্ধনের গতি বৃদ্ধির কারণে শক্তির চাহিদা বাড়ে। এছাড়াও প্রােটিন, ভিটামিন ও ধাতব লবণের চাহিদাও বাড়ে। এই বয়সের শিশুরা খেলাধুলা করে তাই তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সঞ্চালন ঘটে বলে বেশি শক্তির খরচ হয়। বিদ্যালয়গামী শিশুদের পেশি, দাঁত, হাড়, রক্ত ইত্যাদির গঠনের জন্য বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বেশি হয়।

বিদ্যালয়গামী (১১-১৫ বছর বয়সের) শিশুদের পুষ্টির গুরুত্ব –

  • ১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদের দ্রুত বর্ধন বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রােটিন জাতীয় খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • বিদ্যালয়গামী শিশুদের শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা, পড়ালেখা এবং বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য যথেষ্ট শক্তির প্রয়ােজন হয়। এই শক্তি মেটানাের জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাদ্যের প্রয়ােজন হয়।
  • ভিটামিন ও ধাতব লবণ সমৃদ্ধ খাদ্য রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • বিদ্যালয়গামী শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি গুরুত্বপূর্ণ।
  • ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের লৌহ ও ফলিক এসিড বেশি প্রয়ােজন হয় কারণ মেয়েদের মাসিকের জন্য প্রতিমাসে যে রক্তের অপচয় ঘটে তা পরিপূরণের জন্য অর্থাৎ রক্ত গঠনের জন্য প্রয়ােজন হয়।
  • ত্বক ও চোখের সুস্থতার জন্য ভিটামিন এ, বি ও সি সমৃদ্ধ খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অতএব আমরা দেখতে পাই যে, ১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদের স্বাভাবিক ওজন, উচ্চতা, সুস্থতা, পড়ালেখা, খেলাধুলার ক্ষমতা ও দক্ষতা বজায় রাখার জন্য প্রতিদিন খাদ্যে ছয়টি পুষ্টি উপাদানেরই পর্যাপ্ত উপস্থিতি অত্যাবশ্যক। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রয়ােজনীয় পুষ্টি উপাদান পেতে হলে মৌলিক খাদ্য গােষ্ঠির প্রতিটি গ্রুপ থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য প্রতিদিনই নির্বাচন করতে হবে। এই বয়সী শিশুদের খাদ্য তালিকা তৈরির সময় কয়েকটি বিষয় লক্ষ রাখতে হবে। যেমন

(ক) ১১-১৫ বছর বয়সের শিশুদেরকে প্রতিদিন কমপক্ষে তিন বেলা প্রধান খাবার ও দুইবার হালকা নাশতা দিতে হবে। এই বয়সে শিশুরা বেশ দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকে। স্কুলে পড়ালেখার পাশাপাশি তারা খেলাধুলাও করে থাকে, ফলে প্রচুর শক্তির খরচ হয়। তাই স্কুলে থাকাকালীন একবার এবং বাসায় আরও একবার পুষ্টিকর নাশতা দিতে হবে। তাহলে অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন রােগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

(খ) প্রতি বেলার প্রধান খাবারে অর্থাৎ সকাল, দুপুর ও রাতের বেলায় মৌলিক খাদ্য গােষ্ঠির বিভিন্ন শ্রেণির বিভিন্ন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।

(গ) প্রতিদিনই উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ উভয় উৎস থেকেই প্রােটিন গ্রহণ করতে হবে। দিনে অন্তত একবার প্রাণিজ প্রােটিন গ্রহণ করতে হবে।

(ঘ) প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিভিন্ন ধরনের মৌসুমী ও রঙিন যেমন- হলুদ, সবুজ, লাল, বেগুনি ইত্যাদি বর্ণের টাটকা শাকসবজি ও তাজা টক জাতীয় ফল অবশ্যই থাকতে হবে।

(ঙ) পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল জাতীয় খাদ্য প্রতি বেলায় গ্রহণ করতে হবে।

(চ) মিষ্টি জাতীয় খাবার ও অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার গ্রহণে সচেতন হতে হবে। যারা পরিশ্রমের কাজ কম করে বা একেবারেই করে না বা খেলাধুলা করে না তারা এই খাদ্যগুলাে গ্রহণ থেকে অবশ্যই বিরত থাকবে। তা না হলে শরীরের ওজন বেশি বেড়ে যাবে অর্থাৎ ওজনাধিক্যে আক্রান্ত হবে এবং নানা ধরনের জটিল রােগের সূচনা হবে।

Changed status to publish
Add a Comment
Write your answer.