Exam Dates & Admit Card

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২

২০২২ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি 

প্রতিদিন ফ্রি ১০০ টাকা মোবাইল রিচার্জ করুন অথবা বিকাশে টাকা

Easy Way To Earn Money Online

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইনকাম করার বিভিন্ন উপায় জানুন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়গ পরিক্ষা নিয়ে অনেক জল ঘোলা হলো। এই পরিক্ষা নিয়ে চাকরি প্রত্যাশিরা প্রায় ২ বছর ধরে অপেক্ষায় আছে। তাই প্রায় সময় অনেকেই প্রশ্ন করে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে? কত তারিখ থেকে পরীক্ষা হবে এবং কয় ধাপে পরীক্ষা হবে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুজতে থাকে। আজ আপনাদের জানাবো প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আরো জানতে পারবেন কত তারিখ কোন জেলার পরীক্ষা হবে। 

তাই আপনারা যারা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ সম্পর্কে ও পরিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহী তারা এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন। ২০২০ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সার্কুলার দেওয়া হলেও করোনা মহামারির কারনে এখন সেই পরিক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।  

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে? 

 
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়, পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে। পরীক্ষা পরিচালনার জন্য কেন্দ্র  নির্বাচন করে তাদের তথ্য নেয়া হচ্ছে। এবার শুধু ঢাকা মহানগরীর  বিভিন্ন কেন্দ্রে  এ পরিক্ষা আয়োজনের কথা বলা হলেও, এখন জেলা সদরে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে২০ মার্চ অধিদপ্তর সারাদেশের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে ভার্চুয়াল সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে না।  গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪৫ হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২২ 

নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি ও স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। এতে করে চাকুরী প্রার্থীরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। উল্লেখ্য, প্রাথমিকের সহকারি শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোনা মহামারির বাস্তবতায় নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়নি।এদিকে অবসরজনিত কারণে নতুন করে আরও দশ হাজারেরও বেশি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় মন্ত্রণালয় পূর্বের বিজ্ঞপ্তির শূন্যপদ ও বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। 

২০২২ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি 

বিভিন্ন সূত্র থেকে যানা যায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখ থেকে শুরু হতে পারে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর আগে ১ এপ্রিল থেকে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠানের খবর বেরিয়েছিল। তবে পরীক্ষা আরো কয়েকদিন পিছিয়ে ৮ এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলমের সই করা পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচন সংক্রান্ত চিঠির বরাতে এমন তথ্য জানা গেছে। 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ এর লিখিত পরীক্ষা ৮, ১৫ ও ২২ এপ্রিল এবং ১৩ মে বিকেল ৩টায় গ্রহণের জন্য ঢাকার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। কেন্দ্র নির্বাচনের চিঠি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা উল্লেখিত দিন তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। 

প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি ২০২২ 

১০ মার্চ ২০২২ তারিখে জানানো হয় সহকারী শিক্ষক হিসেবে ৩২হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু করোণা মহামারীর কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে অবসরজনিত কারণে আরও ১০হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। এতে বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে মন্ত্রণালয় আগের বিজ্ঞপ্তি শূন্যপদ বিজ্ঞপ্তির পরের শূন্যপদ মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ।

 

প্রাথমিক শিক্ষক পরীক্ষা কত তারিখ 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তারিখ কয়েকবার পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারী এককে সময় এককে তারিখে পরীক্ষা নেওয়া কথা বলেছে। সর্বশেষ জানা যায় আগামী ৮ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। সর্বমোট ৫ ধাপে পরীক্ষা সম্পর্ণ করা হবে। 

  • ১ম ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে 
  • ২য় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ১৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে 
  • ৩য় ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে 
  • ৪র্থ ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে 
  • ৫ম ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ১৩ মে অনুষ্ঠিত হবে 

 

প্রাথমিক শিক্ষক পরীক্ষায় কোন বিভাগে কতজন আবেদন করেছে? 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়। আবেদন করে ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ জন।  সবচেয়ে বেশি আবেদন পরে ঢাকা বিভাগে ২ লাখ ৪০ হাজার,  এরপরে রাজশাহীতে ২ লাখ ১০ হাজার, খুলনায় এক লাখ ৭৮ হাজার ৮০৩,  ময়মনসিংহে ১ লাখ ১২ হাজার, বরিশালে ১ লাখ ৯ হাজার ৩৪৪, সিলেটে ৬২ হাজার ৬৬৭,  এবং রংপুর বিভাগে ১লাখ ৬০ হাজার ১৬৬টি আবেদন জমা পড়েছে। 

প্রাথমিকের ৪৫ হাজার পদের সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২২ 

দেশের তিন পার্বত্য জেলা ব্যতিত (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন), সকল জেলার প্রার্থীরা নিম্নবর্ণিত যোগ্যতা সাপেক্ষে, উক্ত পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের যোগ্যতা- কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ সহ স্নাতক বা স্নাতক সম্মান বা সমমানের ডিগ্রী। 

এবারই প্রথম, যেখানে নারী- পূরুষ উভয়েরই যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি। বয়স- ন্যূনতম ২১ বছর, সর্বোচ্চ ৩০ বছর (২০ অক্টোবর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে)। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারিরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর (এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সনদ প্রয়োজন হবে)। বেতন স্কেল- টাকা ১১০০০-২৬৫৯০ (গ্রেড ১৩) জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী। 

পদসংখ্যা- অনির্দিষ্ট (বিজ্ঞপ্তিতে পদ সংখ্যা উল্লেখ করা হয় নি)। তবে এ সংখ্যা ৩২ হাজারের কিছু বেশী বলে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানা গেছে। কোটা- এবারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগেও শতকরা ৬০ ভাগ নারী ২০ ভাগ পুরুষ ও ২০ ভাগ পোষ্য কোটা সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে ২০ ভাগ বিজ্ঞানের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পাস মার্ক কত? 

আপনারা জানেন যে, ৮০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় (এমসিকিউ) প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য এক নম্বর এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এখানে যেহেতু  কাট মার্কস রয়েছে সেহেতু পরীক্ষায় পাশ কত নম্বরে হবে তা বলা মুশকিল. প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরীক্ষার মধ্যে কাট মার্কস থাকলে তার নিশ্চয়ই পাশ নম্বর সঠিকভাবে বলা যায় না.  তাই পরীক্ষার হলে বেশ ভালো করলেও তাদের কিছু নম্বর কাটা যাবে। তাই কাট মার্কস ৬৫ থেকে ৭০ এর মধ্যে থাকবে। 

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.